
গ্যালিয়াম আয়োডাইড (GaI) ল্যাম্পগুলো উচ্চ-তীব্রতার ইউভি বিকিরণ উৎপন্ন করার জন্য অত্যন্ত কার্যকর সরঞ্জাম। কিন্তু এগুলো ব্যবহারের সময় অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমরা ১৫ বছর ধরে এই ল্যাম্পগুলোর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য এবং কোয়ার্টজ আবরণগুলোকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখা যায় সে বিষয়ে গবেষণা করেছি। কেন? কারণ আমরা চেয়েছিলাম এগুলোকে সাধারণ যন্ত্রাংশ হিসেবে না দেখে, আসল অর্থেই নির্ভুল যন্ত্রাংশ হিসেবে ব্যবহার করা হোক।
রহস্যটা রয়েছে রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যে।
ল্যাম্পের ভিতরে গ্যালিয়াম আয়োডাইড হ্যালাইড থাকে। যখন সুইচটি চালু করা হয়, তখন গ্যালিয়াম পরমাণুগুলো শক্তিশালী ইউভি বিকিরণ উৎপন্ন করে।
কিন্তু এখানেই সমস্যা রয়েছে—ল্যাম্পের চাপ এবং গ্যালিয়াম ও আয়োডিনের অনুপাতটি ঠিক থাকতে হবে। যদি রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যগুলো সামান্যই ভুল হয়, তাহলে “স্পেকট্রাল ড্রিফট” ঘটে। এটা সেইসব ব্যক্তিদের জন্য বড় সমস্যা, যাদের জন্য ইউভি বিকিরণের মাত্রা নির্দিষ্ট থাকা জরুরি। এক মিনিট সবকিছু ঠিক থাকে, আবার পরক্ষণেই নয়।
তাপ নিয়ন্ত্রণ
আমরা ল্যাম্পের আবরণ হিসেবে উচ্চ-বিশুদ্ধতার কৃত্রিম কোয়ার্টজ ব্যবহার করি; কারণ এটা দ্রুত উত্তপ্ত হওয়ার পরেও ভেঙে যায় না।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, এই ল্যাম্পগুলো ছোট আকারেই অনেক শক্তি ধারণ করে। তাই এগুলো দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে যায়।
আপনার কুলিং সিস্টেমগুলো যেন ল্যাম্পের শক্তি সামলাতে পারে, সেদিকে নজর দেওয়া দরকার। যদি কুলিং সিস্টেম ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলে কোয়ার্টজ নরম হয়ে যায়, ইলেকট্রোডগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর ল্যাম্পটি নষ্ট হয়ে যায়।
বাস্তব ব্যবহারের জন্য নির্ভরযোগ্যতা
আমরা এই ল্যাম্পগুলোকে আন্তর্জাতিক OEM সিস্টেমগুলোর জন্য সহজে ব্যবহারযোগ্য করে তুলেছি। কোনো ঝামেলা নেই।
আমরা ইলেকট্রোডের গঠন নিয়েও অনেক চিন্তা করি। আমরা চাই প্রতিবারই সঠিকভাবে ইলেকট্রোডগুলো কাজ করুক। এতে ল্যাম্পটি দীর্ঘসময় ধরে কাজ করতে পারে।
বর্তমানে আমরা ল্যাম্প চালানোর মধ্যবর্তী সময়টি কমানোর চেষ্টা করছি। কারণ উৎপাদন লাইন চালানোর সময় প্রতিটি সেকেন্ডই অর্থের ক্ষতি হয়।
এছাড়াও, ভ্যাকুয়াম সিলিং নিয়েও আমরা খুব সাবধান থাকি। হ্যালাইড গ্যাস লিক হওয়াই সস্তা ইউভি ল্যাম্পগুলো নষ্ট হওয়ার প্রধান কারণ; তাই আমরা নিশ্চিত করি যে আমাদের ল্যাম্পগুলো সম্পূর্ণরূপে বায়ুরোধী।